এ বিষয়ে জানতে চাইলে সংশ্লিষ্ট বিভাগের একজন কর্মকর্তা বলেন, পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে একাধিক বৈঠক হয়েছে। বৈঠকে দ্রুত সমাধানের বিষয়ে সবাই একমত পোষণ করেন এবং একটি সমন্বিত পরিকল্পনা গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এ ধরনের উদ্যোগ টেকসই করতে হলে জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা জরুরি। পাশাপাশি স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি বজায় রাখার ওপরও গুরুত্ব দেন তারা।
উল্লেখ্য, গত বছরও একই ধরনের কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছিল, যা স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলে। এবারের কার্যক্রম আরও বিস্তৃত পরিসরে আয়োজন করা হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দীর্ঘদিন ধরে তারা এ বিষয়ে নানা সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছিলেন। নতুন উদ্যোগের ফলে তাদের দৈনন্দিন জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।























